Indoor

কীভাবে ইনডোর প্লান্টের যত্ন বা পরিচর্যা করবেন

ইনডোর প্লান্ট ঘরের ভিতর বেড়ে ওঠে, তাই বাগানে বেড়ে ওঠা গাছের পরিচর্যা আর ইনডোর প্লান্টের যত্ন একইভাবে নিলে চলবে না। প্রথমেই প্রয়োজন গাছে পর্যাপ্ত পরিমাণে জল দেওয়া। তবে, বাড়তি জল দিলে ক্ষতি! গাছের গোড়ায় জল জমে থেকে গাছ পচিয়ে দেয়। কাজেই, জল দেওয়ার আগে মাটি চেপে চেপে দেখে নিন। যদি ভেজাভাব থাকে, তা হলে জল দেওয়ার প্রয়োজন নেই। আরও একটি সহজ উপায় আছে। লন্বা একটা লম্বা কাঠি টবের মাটিতে ঢুকিয়ে তুলে আনুন। কাঠির গায়ে যদি ভিজে মাটি লেগে থাকে তা হলে বুঝবেন গাছে জল দেওয়ার প্রয়োজন নেই।

মাঝে মাঝে ২-৩ দিন পানি না দেওয়ার কারনে অনেক প্লান্ট একদম নিস্তেজ হয়ে যায় তার জন্য গাছটি টব সহ ১ মিনিট পানিতে ডুবিয়ে রাখতে পারেন। তাতে গাছের গোড়ার সর্ম্পূন অংশ পানি পাবে এবং গাছটি সতেজ হতে সহয়তা করবে।।

যে ঘরে আলো-বাতাস চলাচল করে, সেখানেই গাছ রাখুন। অন্ধকার ঘর বা যেখানে রোদে আসেইনা, সেখানে গাছ রাখবেন না। গাছের চারা রোদে রাখলে গাছ ঠিকঠাক হারে বাড়বে, ফাংগাসও হবে না। যে ঘরে এসি চলে বা ঘরের তাপমাত্রা ঘন ঘন পরিবর্তন হয়, সেখানে গাছ না রাখাই ভাল। পাতা তাড়াতাড়ি ঝরে যায়।

খেয়াল রাখবেন, টবে যেন ঝরা ফুল, শুকনো পাতা না জমে থাকে। গাছের পাতায় ঘরের ধুলোময়লা বা ঝুল জমলে শুকনো সুতির কাপড় বা স্পাঞ্জ দিয়ে হালকা হাতে পাতা মুছে নিন। গাছের পাতা ছোট হলে,স্প্রে বোতলে জল ভরে জল স্প্রে করে পাতা পরিষ্কার করুন। গাছে কুঁড়ি ধরলে, টব এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় নিয়ে যাবেন না। এতে কুঁড়ি ঝরে যায়।

অনেকের ধারনা গাছের পাতা মাটিতে রাখলে তা থেকে সার তৈরী হয় গাছের পাতা বা ফলের ফেলে দেওয়া অংশ থেকে সার তৈরী হয় কিন্ত তার জন্য বেশ কিছু দিন ধরে পচন করতে হয়। তার পর গাছের সার হিসাবে ব্যবহার করতে পারবেন।।

ইন্ডোর প্লান্টের জন্য মাটি তৈরী করা একটা সহজ উপায় হল মাটির সাথে কোকোপিট এবং ভার্মিকম্পস সার একত্র করে মিশিয়ে ইন্ডোর প্লান্টের মাটি তৈরী করতে পারেন।।

নাইট্রোজেন, ফসফেট ও পটাশিয়াম রয়েছে, এরকম সার ইনডোর প্লান্টের জন্য আদর্শ। গাছে পোকামাকড়ের অত্যাচার কমাতে, জলে অ্যাসপিরিন জাতীয় ট্যাবলেট গুঁড়ো করে মিশিয়ে নিন। এটি গাছের ইমিউনিটি বাড়াতে সাহায্য করে। এই মিশ্রণ স্প্রে- বোতলে ভরে গাছের পাতায় মাঝেমাঝে স্প্রে করুন।

আরো জানতে …https://www.facebook.com/brikkhobazar/?epa=SEARCH_BOX

Leave a Reply