Rooftop & Landscape

মিলিবাগ পোকা দমন

https://brikkhobazar.com/product/seko%e0%a6%b8%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a7%8b/

জায়ান্ট মিলিবাগ’ ফল ও ফুল গাছের জন্য একটি অতি ক্ষতিকর রোগ। এর পূর্ণাঙ্গ পোকা পাতা ও ডালের রস চুষে নেয়। পোকার আক্রমনে পাতা, ফল ও ডালে সাদা সাদা গুটি বা তুলার মত দেখা যায়। এই পোকার জন্য অনেক সময় গাছে পিপড়াও দেখা যায়। এর আক্রমণে গাছের পাতা ঝরে যায় এবং ডাল মরে যায়।

তাছাড়া এই পোকা হানিডিউ (কার্বোহাইড্রেট সমৃদ্ধ তরল) নিঃসরণ করে যা পাতা ও ফলের উপর ছত্রাক জন্মাতে সাহায্য করে। পোকাটি দেহের সংস্পর্শে আসলে চুলকানি ও এলার্জি হয়।

এ পোকার জীবনচক্র একটু ভিন্ন ধরনের। এপ্রিল থেকে জুন মাসে পূর্ণাঙ্গ স্ত্রী পোকা গাছের গোড়ার নিকটবর্তী মাটির প্রায় ৫-১৫ সে.মি. গভীরে গুচ্ছভাবে ডিম পাড়ে। নভেম্বর মাসের শেষ হতে মার্চ মাস পর্যন্ত ডিম ফুটে বাচ্চা বের হয়। এই ক্ষুদ্রাকৃতির নিম্ফ (বাচ্চা) হেঁটে হেঁটে গাছের উপর উঠে পড়ে এবং গাছের ডালপালার অগ্রভাগের নরম অংশ হতে রস শোষণ করে খেয়ে বড় হওয়ার পর আমাদের দৃষ্টিগোচর হয়।

‘জায়ান্ট মিলিবাগ’ পোকার আক্রমণ থেকে পরিত্রাণ পাওয়ার উপায়:

ঘরোয়া কীটনাশক:

  • মিলিবাগ দমনের জন্য প্রাথমিক অবস্থাতে অতি সহজেই সাধারন কীটনাশক তৈরী করা যায়। প্রতি ৩ দিন পর পর সাবান গুড়ো পানিতে মিশিয়ে স্প্রে করলে অনেক ক্ষেত্রে মিলিবাগ দমন হয়। তাছাড়া অনেকে নিম তেল স্প্রে করে উপকার পাওয়া যায়।
  • তিন দিন পর গাছে কীটনাশক স্প্রে করতে হবে। বাড়িতে তৈরি কীটনাশক গাছ বান্ধব। বাড়িতে আপনি একটি আস্ত ছোট রসুন, একটি ছোট পেঁয়াজ, ১ চা চামচ আস্ত গোল মরিচ ভালো করে বেটে পেস্ট করে মিশ্রণটি কে পুনরায় ব্লেন্ডার মেশিনে ভাল করে ব্লেন্ড করে, এই মিশ্রনটি ১ লিটার পানিতে গুলিয়ে তার সাথে ১ টেবিল চামচ “ট্রিকস”লিকুইড ডিসওয়াশ যোগ করে সকালে বোতল ভরে রেখে দিতে হবে। শেষ বিকেলে বোতল জাত মিশ্রনটি চা এর পরিস্কার ছাকনি দিয়ে ছেকে প্রাপ্ত তরলটুকু গাছের ডালে, পাতার নিচে উপরে স্প্রে করতে হবে।

রাসয়নিক কীটনাশক:

বাগানে যখন একটি গাছ থেকে অন্য গাছে এই রোগ ছড়ায় তাহলে বাগানে রাসয়নিক কীটনাশক ব্যবহার করা অতি প্রয়োজনীয়। তবে বাজারে অনেক রকম কীটনাশক আছে আপনি কোন কীটনাশক ব্যবহার করবেন? এই প্রশ্ন থেকেই যায়।

বর্তমান সময়ে অনেক কোম্পানির ভালো কীটনাশক আছে আপনি এগুলো ব্যবহার করে নিজের বাগানকে রক্ষা করা যেতে পারে।

**‘জায়ান্ট মিলিবাগ’ পোকা মারা গেলে আক্রান্ত পাতা ও ডগা ছাঁটাই করে তা পুড়িয়ে ফেলুন এবং মাটিতে গর্ত করে ছাইগুলো মাটি চাপা দিন। যাতে পোকার আক্রমণ সেই স্থানে পুণরায় হওয়ার কোন সম্ভাবনা না থাকে।

আরও তথ্যের জন্য আপনার নিকটস্থ উপসহকারী কৃষি অফিসার অথবা উপজেলা কৃষি অফিসে যোগাযোগ করুন।

2 thoughts on “মিলিবাগ পোকা দমন

  1. Hi, This is Mahbubur Rahman. I am pleased to read your article, which is very informative and knowledgeable.

    1. brikkhoshimul says:

      hi

Leave a Reply